
Friday, May 29, 2015
এই ধরনের অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান অথবা সদস্যদের অবশ্যই রাখবেন-ভিডিও কনফারেন্সে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Thursday, May 28, 2015
ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ী চালাতে হবে -রাঙ্গাপানি উজানি ড্রাইভার কল্যাণ সমিতির পুনর্ণমিলনি অনুষ্ঠানে বললেন শ্রী ঊষাতন তালুকদার

আজ রাঙ্গাপানিতে “রাঙ্গাপানি উজানি ড্রাইভার কল্যাণ সমিতির পুনর্ণমিলনি অনুষ্ঠানে” প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ বাবু উষাতন তালুকদার । তিনি রাঙ্গাপানি গ্রামকে একটি আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান । এই গ্রামকে পড়ালেখা, খেলাধুলা ,কারিগরী শিক্ষা,সংস্কৃতি ইত্যাদির দিক দিয়ে স্বয়ংসম্পুর্ণ গ্রামে পরিণত করার পরামর্শ দেন । তিনি বলেন,যে কোন কাজে সফলতা না আসা পর্যন্ত লেগে থাকতে হবে এবং অন্যের কথায় কান না দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে । আর চালকদের উদ্দেশ্যে বলেন ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ী চালাতে এবং অর্জিত অর্থের কিছু অংশ সঞ্চয় করতে। চালকরা নিজেদেরকে দুর্বল না ভেবে এই পেশার পাশাপাশি উদ্যোগী হয়ে এই ধণের সমিতির মত আরো কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে হবে বলেও তিনি জানান। সবশেষে রাঙ্গাপানি গ্রামের ও চালক সমিতির উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি এবং মঙ্গল কামনা করেন । এছাড়াও নাগরিক কমিটির সভাপতি বাবু গৌতম দেওয়ান, বিশিষ্ট কন্ঠশিল্পী বাবু রনজিত দেওয়ান, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান বাবু পলাশ কুসুম চাকমা উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ।
Saturday, May 23, 2015
কাপ্তাই লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন রাঙ্গামাটির দুই সাংসদ ।
Sunday, May 17, 2015
বিবেককে জাগ্রত করা,মানবতাকে বিকশিত করা ও মানুষকে ভাল করার কাজে নিয়োজিত আছেন স্কাউট কর্মীরা-ঊষাতন তালুকদার

আজ রাঙ্গামাটি কলেজ এলাকায় বাংলাদেশ স্কাউটস রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা রোভার কর্তৃক আয়োজিত পাচ দিনব্যাপী (১৬-২০ মে ২০১৫) ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ ঊষাতন তালুকদার । তিনি উক্ত ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারী ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে কিছু শিক্ষামূলক ও উপদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেন । তিনি বলেন-" বিবেককে জাগ্রত করা,মানবতাকে বিকশিত করা ও মানুষকে ভাল করার কাজে নিয়োজিত আছেন স্কাউট কর্মীরা । পরোপকারী ও সুস্থ মনের মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে এবং গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে স্কাউট খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । সমাজে একজন ভাল মানুষ হতে গেলে কিছু নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চলতে হয় এবং অনেকগুলো গুণাবলীর অধিকারী হতে হয় । আর স্কাউট ক্যাম্পেইনে এই ধরনের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ।এই ক্যাম্পেইন সুস্থভাবে,সফলভাবে ও সুন্দরভাবে যেন সম্পন্ন হয় এই কামনা করে আজ এই স্কাউট ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করলাম ।" অনুষ্ঠানে ক্যাম্পেইনের কোর্স লিডার প্রফেসর কামাল উদ্দিন সহ আরো গন্যমাণ্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন ।
Tuesday, May 5, 2015
A Statement by Mr. Ushatan Talukder at the 14th Session of the United Nations Permanent Forum on Indigenous Issues (UNPFII)

Agenda Item 7: Human Rights
Madam Chairperson, distinguished delegates, indigenous brothers and sisters,
Human rights are rights inherent to all human beings and hence we Indigenous People are equally entitled to our human rights without discrimination. However, the indigenous people of the globe, including Bangladesh, continue to be subjected to various forms of human rights violations.
The historic Chittagong Hill Tracts (CHT) Accord was one of the bold steps taken by the then Prime Minister Sheikh Hasina led government to establish peace and harmony in that conflicting region. The CHT Accord of 1997 was expected to end militarization, systematic human rights violations and a culture of impunity, and allow indigenous people of the CHT to regain control over their lands, resources and local administration. However, the failure to fully implement the CHT Accord has led to widespread human rights violations and deprivation.
Bangladesh government implemented some provisions of the Accord. However, main issues of the Accord, particularly devolution of political authority, including general administration, law & order and police, remain unimplemented. The government claims that 48 provisions out of 72 provisions of the Accord have been implemented. This is untrue, misleading and misconceived. PCJSS asserts that only 25 provisions out of the 72 have been implemented. It means that two-thirds of the provisions of the Accord remain unimplemented until day.
Part D of the Accord deals with land disputes. The government claims two out of three provisions of this part have been implemented while the remaining has been partially implemented. Most importantly, resolution of land disputes has not even been started, 17 years after signing the Accord. Dozens of meetings have been held to draft amendments to the CHT Land Dispute Resolution Commission Act 2001 based upon a 13-point amendment proposal, including of the CHT Accord Implementation Committee on 20 January of this year. We do not see any tangible result of the aforesaid meetings and the numerous commitments of the government in this regard.
Instead of implementing the unimplemented provisions of the Accord, the government has, on the contrary, continuously violated the Accord, totally disregarding the mandatory consultation with CHT Regional Council on legislation concerning the CHT. The passage of the CHT Development Board Act 2014 (on 1 July 2014) and the Hill District Councils (Amendment) Acts 2014 are prime examples. The establishment of the University of Science & Technology and Medical College in Rangamati despite popular opposition are among other examples of the government’s arbitrary acts.
Through directive of the Ministry of Home Affairs on 7 January 2015, restrictions were imposed upon indigenous people to meet national/foreign organizations and individuals without the mandatory presence of local administration, army/BGB (Border Guards). No such restrictions were placed upon non-indigenous inhabitants of the CHT, thereby clearly demonstrating the racist decision, which is contrary to the Constitution of Bangladesh and the provisions of ICERD (International Convention on the Elimination of All Forms of Racial Discrimination), ratified by Bangladesh. These directives were supplemented with a prohibition against foreigners entering the CHT without the prior consent of the Home Ministry, to be taken a month in advance.
At the same time, the government has intensified its anti-accord and anti-Jumma programmes to evict the Jumma peoples from their ancestral lands and homesteads by clandestinely patronizing massive racist attacks on Jumma settlements, sponsoring forcible occupation of hundreds of acres of lands by the outsiders, declaring the swidden (Jum) and community lands as reserve forests, expanding and establishing army/BGB (Border Guard Bangladesh) camps and establishing tourism centres run by the army.
Against this backdrop, I, on behalf of CHT people, urge the Government of Bangladesh to declare an outline (roadmap) with timeframe for proper and speedy implementation of the CHT Accord. I also urge the Permanent Forum to take initiative to implement its resolutions adopted at the 10th session regarding implementation of CHT Accord.
May I also request the Permanent Forum to adopt recommendations urging the government of Bangladesh to declare a roadmap for proper implementation of CHT Accord.
Sunday, April 12, 2015
ফুল বিজু মানে পবিত্র,পবিত্র মন নিয়ে আমরা ফুল ভাসালাম - ফুল ভাসানো অনুষ্ঠানে ফুল ভাসিয়ে বললেন প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য শ্রী ঊষাতন তালুকদার

ফুল বিজু মানে পবিত্র,পবিত্র মন নিয়ে আমরা ফুল ভাসালাম - ফুল ভাসানো অনুষ্ঠানে ফুল ভাসিয়ে বললেন প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য শ্রী ঊষাতন তালুকদার । তিনি সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতি বজায় রেখে ও সকলের মৌলিক অধিকার নিয়ে বসবাস করতে পারার আশাবাদ ব্যক্ত করে বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতি কামনা করেন ।
Irrespective of all race,religion and caste Mr.Ushatan Talukder-MP expresses his well-wishes on the occasion of indigenous peoples' festival Biju,Boisuk,Sangraing, Bishu,Bihu and Bengali New Year!

বিজু,বৈসুক,সাংগ্রাইং,বিষু,বিহু ও বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন সাংসদ ঊষাতন তালুকদার

Thursday, April 9, 2015
সাংসদ ঊষাতন তালুকদারের উদ্যোগে মাদকের বিস্তার রোধকল্পে ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে করণীয় শীর্ষক মত বিনিময় সভা

এছাড়াও অনুষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য যেমন -গাজা,হেরোইন,আফিন,ইয়াবা,ফেনসিডিল ইত্যাদি নেশাদ্রব্যের ক্ষতিকারক দিকগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় । সবশেষে রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক জনাব মো:সামসুল আরেফিন মাদক বিস্তার রোধকল্পে দশ জনের বিশেষ মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান ।

Saturday, April 4, 2015
আজ রাঙ্গামাটিতে শুরু হল পার্বত্য সাংস্কৃতিক উৎসব ও মেলা ২০১৫- শুভ উদ্বোধন করলেন সাংসদ ঊষাতন তালুকদার

প্রতি বছরের মত এ বছরও আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী উৎসব বিজু/সাংগ্রাই/বৈসুক/বিষু/বিহু উপলক্ষে আজ ০৪/০৪/২০১৫ ইং রোজ শনিবার রাঙ্গামাটিতে শুরু হল পার্বত্য সাংস্কৃতিক উৎসব ও মেলা ২০১৫। উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উক্ত অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য শ্রী ঊষাতন তালুকদার। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন -প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও আদিবাসীরা তাদের যুগ যুগ ধরে চলে আসা সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপন করছে। চলমান বছরের শেষান্তে ও আগামী বছরের শুরুতে আদিবাসীরা এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব বিজু উদযাপন করে থাকে । সুখ-দুঃখ,হাসি-কান্না,আনন্দ-বেদনা সব কিছু নিয়েই একটা মানুষের জীবন । তাই আদিবাসীরা বছরের শেষে সব কিছুর হিসাব-নিকাশ করে,সব ধরনের গ্লানি মুছে আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়েই পুরাতন বছরটাকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরটাকে স্বগত জানায় ।প্রত্যেকের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে আনন্দ-মুখর পরিবেশে আদর আপ্যায়নের মাধ্যমে এই বিজু উৎসব পালিত হয় । বলি খেলা,পানি খেলার মত বিভিন্ন ধরনের আতদবাসীদের ঐতিহ্যবাহী খেলা-ধূলার আয়োজন করা হয় । তবে পার্বত্য এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ার কারণে একটা মানুষ মন খুলে প্রাণ থুলে হাসতে পারে না,গাইতে পারে না,বলতে পারে না যেমনটি বিজুর সময় আমাদের আদিবাসীরা্ "রেং" দিয়ে থাকে । আর তাই পার্বত্য এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি এবং এর জন্য আপনাদেরও সকলে আন্তরিক সহযোগীতা কামনা করছি ।এই ধরনের উৎসব আয়োজন করার ফলে আদিবাসীদের সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও মেধা বিকাশের অভিব্যক্তি হয়ে থাকে । যেমন এখানকার এক ছেলের আঁকা ছবিটিকেই UNICEF বেছে নিয়েছিল মনোগ্রাম হিসেবে । যাই হোক, আকের এই অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনষ্টিটিউট কর্তৃপক্ষকে এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে ও সবার সু-স্বাস্থ্য কামনা করে সবাইকে বিজুর আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে আজ এখানেই শেষ করছি ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মো:সামসুল আরেফিন,রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু বৃষকেতু চাকমা এবং উৎসবপ্রিয় আদিবাসী জনতা ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মো:সামসুল আরেফিন,রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু বৃষকেতু চাকমা এবং উৎসবপ্রিয় আদিবাসী জনতা ।



Thursday, March 26, 2015
আজ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি শহীদ মীনার প্রাঙ্গনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন সাংসদ ঊষাতন তালুকদার

আজ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি শহীদ মীনার প্রাঙ্গনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন সাংসদ ঊষাতন তালুকদার । সকাল ৫:৫৬মিনিটে তিনি বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ৯:০০ টার দিকে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন । প্রতি বছরের ন্যায় রাঙ্গামাটি স্টেডিয়ামে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় । রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন বিদ্যালয়,ক্রীড়া সংস্থা,পুলিশ বাহীনিসহ অন্যান্য শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এখানে অংশগ্রহণ করে । সংসদ সদস্য বাবু ঊষাতন তালুকদার,মহিলা সাংসদ বেগম ফিরোজা বেগম (চিনু),জেলা প্রশাসক মো:সামসুল আরেফিন এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেন । অনুষ্ঠান শেষে তাঁরা বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

Friday, March 20, 2015
রাংগাপানিতে ক্ষতিগ্রস্স্থদের মাঝে মাননীয় সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদারের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ।
আজ ২০ মার্চ রোজ শুক্রবার সকাল ৯:৪০ টার দিকে রাংগাপানি গ্রামের আলুটিলা এলাকায় একটি অগ্নিকান্ডে ৩টি বাড়ি সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ছাই হয়ে যায় । ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাননীয় এম পি মহোদয়ের প্রতিনিধিদল ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে তৎক্ষণাৎ ত্রাণ সামগ্রী (চাল,লবণ,কম্বল,হাড়ি-পাতিল,বালতি,তেল,সাবান ইত্যাদি) বিতরণ করেন । এতে তারা খুব খুশী হন এবং সাংসদ ঊষাতন তালুকদারের দীর্ঘায়ূ ও উন্নতি কামনা করেন ।

Thursday, March 19, 2015
স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার একতরফা সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রেস বিজ্ঞপ্তি - ঊষাতন তালুকদার, সংসদ সদস্য, ২৯৯, পাবর্ত্য রাঙামাটি- তারিখ: ১৯ মার্চ ২০১৫
# রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ এর পরিচালনা বোর্ডে জনসংহতি সমিতির একজন প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা উঠলেও এ ধরনের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি...
# এমতাবস্থায়,রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম আপাতত: স্থপিত রেখে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজে ভর্তি-হওয়া ছাত্রছাত্রীদের দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে বন্টন করে দেয়ার আবারও দাবি জানাচ্ছি।
# রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ এর পরিচালনা বোর্ডে জনসংহতি সমিতির একজন প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা উঠলেও এ ধরনের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি...
# এমতাবস্থায়,রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম আপাতত: স্থপিত রেখে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজে ভর্তি-হওয়া ছাত্রছাত্রীদের দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে বন্টন করে দেয়ার আবারও দাবি জানাচ্ছি।
Tuesday, March 17, 2015
গত ১৫ ই মার্চ দিঘীনালায় সংঘটিত সহিংস ঘটনায় সাংসদ বাবু ঊষাতন তালুকদারের উদ্বেগ প্রকাশ !
গত ১৫ ই মার্চ ২০১৫ইং তারিখে দিঘীনালায় সংঘটিত সহিংস ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ২৯৯ পার্বত্য রাঙ্গামাটির সাংসদ বাবু ঊষাতন তালুকদার । সমস্যাটি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের জন্য তিনি আন্তরিকভাবে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ।
Mr.Ushatan Talukder -MP expressed his concern on the violent incident took place at Dighinala in Khagrachari district on 15th March 2015.
Mr.Ushatan Talukder -member of parliament of Rangamati Hill Tracts, expressed his concern on the violent incident took place at Dighinala in Khagrachari district on 15th March 2015.He cordially urged all to solve the raised problem fast and peacefully.

Tuesday, March 10, 2015
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বিজয়ের উল্লাসে রাঙ্গামাটিতে আনন্দ র্যালি -অংশগ্রহণ করে অভিনন্দন জানালেন সাংসদ ঊষাতন তালুকদার

আজ ১০ মার্চ বিকাল ৩:৩০ মিনিটে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের প্রধান ফটক থেকে শুরু হয় একটি আনন্দ র্যালী। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দ্বিতীয় রাউন্ড খেলা নিশ্চিত হওয়ায় তাদেরকে অভিনন্দন জানাতে এই আনন্দ র্যালীর আয়োজন করা হয় রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে। রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য বাবু ঊষাতন তালুকদার, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু নিখিল কুমার চাকমা, জেলা প্রশাসক মো: সামসুল আরেফিন, পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উক্ত র্যালীর নেতৃত্ব দেন ।এই র্যালীটি রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌরসভা পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সাংসদ ঊষাতন তালুকদার টাইগারদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন -“আসলে বাংলাদেশ চাইলে সবকিছু করতে পারে এবং ভবিষ্যতে যেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের সেই কাঙ্খিত শিরোপাও ছিনিয়ে আনতে পারে সেই কামনা করছি আর আমরা এই বিজয়ের মাসে এখানে সবাই একত্রিত হয়ে, সম্মিলিতভাবে বিজয়ী খেলোয়ারদের পাশাপাশি মিুক্তিযুদ্ধে শহীদদেরও স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানালাম। এভাবে আমরা পরবর্তীতে বাংলাদেশের মানুষ সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে দাড়াতে পারব এই আশা রেখে সবাইকে আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি ’’।
এগিয়ে যাও বাংলাদেশ...বাংলাদেশ....বাংলাদেশ...এই শ্লোগানকে নিয়ে বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন স্তরের মানুষওএই র্যালীতে অংশগ্রহণ করেন।
Sunday, March 8, 2015
আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন দিবসে সংসদ সদস্য শ্রী ঊষাতন তালুকদার

Wednesday, March 4, 2015
Monday, March 2, 2015
বিলাইছড়ি উপজেলায় সর্বপ্রকার উন্নয়নের কার্যক্রম সম্প্রসারণ

বিলাইছড়ি উপজেলার জনসাধারণের জীবনযাত্রা, শিক্ষা, চিকিৎসা, যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং কৃষি তথা সকল ধরণের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তিন দিনের সফরে গেলেন মাননীয় সংসদ সদস্য বাবু ঊষাতন তালুকদার এম.পি । গত ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৫ ইং তারিখ তিনি এই সফর আরম্ভ করেন । তাঁর এই দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর সফরে সফরসঙ্গী ছিলেন বিলাইছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু শুভ মঙ্গল চাকমা, বিলাইছড়ি স্বাস্থ্য কম্প্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা:মো:কামরুল হাসান , তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী তয়েন চাকমা ও অন্যান্য সফরসঙ্গীগণ । তিনি বিলাইছড়ি সদর উপজেলা, পাংখোয়া পাড়া, তক্তানালা, ফারুয়া, যমুনাছড়ি, কেংড়াছড়ি, ও কেংড়াছড়ি বাজার এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চেয়ারম্যান, হেডম্যান, কার্বারী ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এলাকার জনগণের সাথে মত বিনিময় করে তাঁদের সুখ-দুঃখ, সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে চান । এসময় যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় উৎপাদিত কৃষিজাত দ্রব্য যথাসময়ে বাজারজাতকরণ সম্ভব হয় না বলে, যাতায়াতের সুবিধার্থে ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে বোটের সংখ্যা বৃদ্ধিকরণের এবং গাড়ী চলাচলের জন্য রাস্তা তৈরীর দাবী করেন সেখানকার মানুষ। এবং নেটওয়ার্কের আওতায় না থাকা এলাকাগুলোতে নেটওয়ার্ক বা মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করে এলাকাবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য এম.পি মহোদয়কে অনুরোধ জানান । সাধারণ মানুষের সাথে আলাপ-আলোচনা ও মতামত আদান-প্রদানের মাধ্যমে গোটা বিলাইছড়ি উপজেলার অবস্থা জানা যায় । সেখানে ছাত্র-ছাত্রীর তুলনায় স্কুল কলেজের সংখ্যা একেবারেই নগণ্য । আর যে অল্প কয়েকটি স্কুল আছে সেগুলোর বেশীরভাগই এখনও রেজিস্টারকৃত করা সম্ভব হয় নি এবং পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই ।

বিলাইছড়ি উপজেলার অধিকাংশ মানুষের জীবিকার্জনের মাধ্যম হল কৃষি । এই কৃষিকাজ করতে গিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন । বিশেষ করে কাপ্তাই-হ্রদের পানি ঠিক সময়ে না কমা এবং না বাড়ার কারণে জলে ভাসা জমিগুলোতে চাষ করা খুবই জটিল হয়ে পড়ে । বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম এলাকার মানুষ অনেক সময় চিকিৎসার সুযোগ থকে বঞ্চিত হয় । সেখানে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র না থাকাই এর প্রধান কারন । এসকল সমস্যার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কেও জানতে চান সেখানকার সাধারণ মানুষ । বাবু ঊষাতন তালুকদার সকল এলাকার (ফারুয়া,তক্তানালা,যমুনাছড়ি,পাংখোয়া পাড়া, কেংড়াছড়ি,কেংড়াছড়ি বাজার) জনগণের অভাব-অভিযোগ,ও সুখ-দুঃখের কথা মনযোগ সহকারে শুনেন এবং তাঁর উন্নয়ন কর্যক্রমের ধাপসমূহ তাদের কাছে তুলে ধরেন । তিঁনি তাঁর বক্তব্যে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন তথা ব্যবসা-বাণিজ্যের অগ্রগতির জন্য বোটের সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ,বিলাইছড়ি সদর উপজেলায় পাকা রাস্তা তৈরী,এবং আলিহং থেকে ফারুয়া পর্যন্ত মোটরসাইকেল ও জীপ গাড়ী চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা সহ আরো অনেক উন্নয়ন করা হবে বলে জানান ।

জনসাধারণের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করতে মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি আশ্বাস দেন । সবার জন্য সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে স্কুল কলেজের সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ,শিক্ষক নিয়োগ,ছাত্রাবাস স্থাপন,শিক্ষা সামগ্রী ও ল্যাপটপ কম্পিউটার বিতরণ, বিদ্যালয় রেজিস্টারকরণ সহ ইত্যাদি উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অবশ্যই করবেন বলে প্রকাশ করেন । সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ,জাতি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য তিনি অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী ও উপস্থিত সকলকে আহ্বান জানান । যেহেতু বিলাইছড়ি উপজেলার অধিকাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল তাই তিঁনি কৃষকদের যথাযতভাবে ট্রেনিং করানোর জন্য কৃষিকর্মকর্তদেরকে নির্দেশ প্রদান করেন । এছাড়াও পানি সেচের জন্য পাওয়ার টিলার ও পাওয়ার পাম্প প্রদান এবং জলেভাসা জমিগুলোর চাষাবাদ করতে সঠিক সময়ে পানি উঠাতে ও নামাতে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলবেন বলে দৃঢ় আশ্বাস দেন । আরও উন্নতমানের ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে হাইব্রিড বীজ পার্বত্য এলাকায় আমদানি করার কথাও তিনি প্রকাশ করেন ।

“স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল “। তাই সকল স্তরের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় স্থানে স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপনের কথা বলেন । আর তাঁর সফরসঙ্গী ডা:মো: কামরুল হাসানের পরামর্শ নিয়ে বিনামূল্যে ঔষধ নেওয়ার জন্য বলেন । শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে এবং তিনি সংসদের ভিতরে ও বাইরে সবসময় কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন । তবে “নানা মুনির নানা্ মত “ থাকার কারণে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন সম্পন্ন করতে একটু বিলম্ব হচ্ছে বলে সেখানকার জনসাধারণকে বলেন । এবিষয়ে সবাইকে একতাবদ্ধ ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিঁনি। সবশেষে বিলাইছড়ি এলাকার মানুষ এই শুষ্ক মৌসুমে কষ্ট করে তাদের খোঁজ-খবর নিতে আসার জন্য এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানান এবং এই দিনগুলি তাদের জীবনে স্বরণীয় হয়ে থাকবে বলেও প্রকাশ করেন । অবশেষে সাংসদ ঊষাতন তালুকদার তক্তানালা লাইব্রেরীর উন্নয়ন ও বই ক্রয়ের জন্য এবং যমুনাছড়ির গির্জাগুলোর উন্নয়নের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করে সকলের সুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ জীবন কামনা করে বিদায় নেন ।
Subscribe to:
Posts (Atom)

