Showing posts with label rangamati. Show all posts
Showing posts with label rangamati. Show all posts

Thursday, March 19, 2015

স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার একতরফা সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে প্রেস বিজ্ঞপ্তি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি - ঊষাতন তালুকদারসংসদ সদস্য২৯৯পাব‍র্ত্য রাঙামাটি- তারিখ: ১৯ মার্চ ২০১৫
# রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ এর পরিচালনা বো‍র্ডে জনসংহতি সমিতির একজন প্রতিনিধিকে অন্ত‍র্ভুক্ত করার কথা উঠলেও এ ধরনের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি...

# এমতাবস্থায়,রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম আপাতত: স্থপিত রেখে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজে ভর্তি-হওয়া ছাত্রছাত্রীদের দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে বন্টন করে দেয়ার আবারও দাবি জানাচ্ছি

Saturday, February 28, 2015

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাম্তবায়নের মাধ্যমে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা


১৯৯৭ সালের ০২ ডিসেম্বর গণপ্রজাতণ্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের উদ্দেশ্যেই। এই চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সকল পার্বত্যবাসী স্বপ্ন দেখেছিল পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে পাওয়ার । চুক্তি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিশেষ শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে এই পার্বত্য এলাকার মানুষের তথা পাহাড়ী-বঙালী স্থায়ী অধিবাসীদের শাসনতান্ত্রিক অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার আশা করা হয়েছিল । কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, চুক্তি স্বাক্ষরের ১৭ বছর অতিক্রম হয়ে যাওয়ার পরেও পার্বত্য চুক্তি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে আজ অবধি পার্বত্যবাসীর সেই শাসনতান্ত্রিক অংশীদারিত্ব যেমনি নিশ্চিত হয়নি,তেমনি অর্জিত হয়নি পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সেই কাঙ্খিত রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধান । যার কারণে পাহাড়ের কোণে কোণে প্রতিনিয়ত বইছে নীরব কান্না যে কান্নার আওয়াজ চেপে রাখা হয়েছে কোন না কোন কৌশল অবলম্বন করে ।

১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ইং তারিখে ৪৪তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি স্টেডিয়ামে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে














১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ইং তারিখে ৪৪তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি স্টেডিয়ামে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাংসদ ঊষাতন তালুকদার এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ ।







সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুষম উন্নয়নের মধ্য দিয়ে পার্বত্য এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন



পার্বত্য অঞ্চলে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি বড় সমস্যা হল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা । অনেকদিন থেকে চলে আসা এই সমস্যা নিরসনকল্পে বতর্মান সাংসদ ঊষাতন তালুকদার অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন ।তিনি সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বভাব গড়ে তুলতে সদা সচেষ্ট । তার দৃঢ় বিশ্বাস যে,যদি অসাম্প্রদায়িক চেতনা সকলের মধ্যে জেগে উঠে তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামের চলমান সাম্প্রদায়িক সমস্যা অনেকাংশে লঘু হয়ে আসবে ।তিনি এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চেতনা উন্নয়ের পাশাপাশি অন্যান্য সকল উন্নয়নও সাধন করার জন্য অত্যন্ত দৃঢ়তার সহিত কাজ করে যাচ্ছেন ।
রাঙ্গামাটি জেলার সদর,উপজেলা ও ইউনিয়ন সকল পর্যায়ে যাতায়াত ব্যবস্হা, শিক্ষা ব্যবস্হা ও চিকিৎসা ব্যবস্হার যথাযত উন্নয়ন তাঁর একান্ত লক্ষ ও উদ্দেশ্য । তাই তিনি যথাস্হানে রাস্তাঘাট,সেতু ও কালভার্ট ইত্যাদি নির্মাণ করবেন ।আর সবার জন্য সুশিক্ষা ও সুচিকিৎসা এবং প্রযুক্তির অগ্রগতি নিশ্চিত করতে উন্নতমানের স্কুল,কলেজ,স্বাস্হ্য-কেন্দ্র ও হাসপাতাল নির্মাণ যথাসময়ে করা হবে ।সবোর্পরি তিনি রাঙ্গামাটি শহরের এবং এই এলাকার জনগণের সর্বপ্রকার উন্নয়ন সাধন করে আধুনিক বিশ্বের সাথে এগিয়ে চলার জন্য যুগোপযোগী করে গড়ে তুলবেন ।আর এসকল উন্নয়নের পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য এলাকাবাসীর আন্তরিক সহেযাগীতা সদা কাম্য ।

পাবত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মানবাধিকার স‌‌‍‌ম্মেলন ২০১৪

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন রাঙ্গামাটি জেলা কমিটি কর্তৃক আয়োজিত "পার্বত্য আঞ্চলিক মানবাধিকার সম্মেলন ২০১৪" অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন সাংসদ শ্রী ঊষাতন তালুকদার । অনুষ্ঠানে প্রথমে বক্তব্য রাখেন মহিলা সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু ।তিনি মানবাধিকার সম্পর্কে কথা বলেন এবং অতীত,বর্তমান এবং আগামীতেও মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করে যাবেন বলে আশ্বস দেন ।তারপর বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন রাঙ্গামাটি জেলার সাধারণ সম্পাদক তপন বড়ুয় তার মূল্যবান বক্তব্য পেশ করেন ।বিজয় রতন দে যিনি দীর্ঘকাল থেকে মানবাধিকার নিয়ে ক্জ করে আসেছেন,পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দুই সাংসদ চিনু এবং ঊষাতন তালুকদার মহোদয়ের উভয়ের মধ্যে পরস্পর সহযোগীতামূলক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে বলে মন্তব্য করার পাশাপাশি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান এবং মানুষের অধিকার রক্ষার্থে কাজ করতে উপস্হিত সকলকে আহ্বান করেন ।এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বান্দরবান জেলার সভাপতি মিস ধনাইপ্রু মিলি,রাঙ্গামাটি জেলার সভাপতি ডা:সুপ্রিয় বড়ুয়া,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন জাতীয় কমিটির সভাপতি ড:সাইফুল ইসলাম দিলদার এবং ঊষাতন তালুকদার এম.পি ।"মুখের কথায় সম্প্রীতিকে সীমাবদ্ধ না রেখে অন্তর থেকে সম্প্রীতিকে উন্নয়ন করা উচিত" বলে তিনি মন্তব্য করার পাশাপাশি সবার জন্য সুখ,শান্তি এবং উন্নতি কামনা করে মানব অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে সৎ সাহস নিয়ে মানবাধিকার রক্ষার্থে কাজ করার জন্য সকলকে আহ্বান জানান ।

পরিষ্কার-পরিচ্ছসন্ন ও মাদকমুক্ত রাঙ্গামাটি

গত ০৫ জানুয়ারী ২০১৩ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করে সবোর্চ্চ ভোট (৯৬,২৩৭) পেয়ে শ্রী ঊষাতন তালুকদার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন । তিনি রাঙ্গামাটি শহরের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন । বিশেষ করে রাঙ্গামাটি শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত করে রাখতে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন । এই শহরের পরিবেশকে সুন্দর,মনোরম ও আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে তিনি সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছেন । তাছাড়াও বর্তমানে মাদকদ্রব্য সেবন বেড়ে যাওয়ার ফলে সেখানকার যুবসমাজের অনেকেই বিপথগামী হয়ে পড়েছে । তাই মাদকদ্রব্যকে সমূলে উৎখাত করার জন্য তিনি মাদকবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলবেন । সর্বোপরি, সুশৃঙ্খল,শান্তিপূর্ণ ও উন্নত রাঙ্গামাটি শহর তিনি উপহার দিতে চান ।এই কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়ন করতে সকল রাঙ্গামাটি বাসীর আন্তরিক সহযোগীতা কামনা করেন ।